সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

একরাম আলি

আঁধার পরিধি
ছন্নছাড়া মেয়েটিকে দেখি
ফুটপাত ঘেঁষে হাঁটে, মাথায় ছন্দের আঁকিবুকি
শব্দের ওজন মাপা ছন্দবদ্ধ বাক্যের বিনুনি
চন্তার পেছনে ঝোলে তার

মাথার ওপর কাক উড়ে গিয়ে ল্যাম্পপোষ্টে বসে
রোদে ফেটে যাচ্ছে সব, তেতে-ওঠা হাওয়া
থম মেরে আছে এই জুলাই-শহরে

ঘটমান বর্তমান এ-সবই, অথচ
মাথায় আকাশ, নীল অনন্ত প্রসারে
এ ব্রহ্মাণ্ড ছন্দোহীন, চুড়ান্ত বিক্ষপ্ত
কোথাও সরল গতি নেই, শুধু অস্থির কণিকা

ছন্নছাড়া এ রাস্তায় বিভ্রান্ত মেয়েটি হেঁটে যায়
দেখি সে সহায়হীন, তাই ছন্দ খোঁজে
খোঁজে দাস, ভাই, বন্ধু অথবা বিধাতা
    ------   ****   -----

মন্তব্যসমূহ

বাংলা সাহিত্য : জনপ্রিয় কবিতাগুলো পড়ুন

শুভাগত রায়

audio testing  শুনুন কবি-কন্ঠে কবিতা পাঠ : সুসং দুর্গাপুর রোদ এসে পড়ে সোনা ধানখেতে সারি সারি কত আম কাঁঠালের গাছ সোনালী রোদ মাখে নদীর জল আদুরে জল স্ফটিক স্বচ্ছ কাঁচ।

বাংলা কবিতার জন্য - প্রভাত চৌধুরী

বাংলা কবিতার জন্য যারা চোখের জল ফেলেন, কুমিরের চোখের জলের সঙ্গে তার কোন মিল নেই, ‘ চোখর জল ’ তবু কেন যে

শুভজিৎ দাসের কবিতা : নগরায়ণ

নগরায়ণ শুভজিৎ দাস শুভজিৎ দাসের কবিতা : নগরায়ণ বেদনা তৃপ্ত ধূসর কলিজায় রাঙামাটির অল্প ছোঁয়া নবীন প্রেমিক, অবুঝ মন চায়না আমি এই স্নিগ্ধ মায়া , আমি হারাতে চাই সুদূর এক গাঁয়ে যেখানে থাকবে শুধু চন্দনের ঘ্রাণ,কদমের পাপড়ি বুনো ছাতিমের শীতল ছায়া।। যেখানে অম্রমুকুল ,বকুল-কুসুম ভরিয়ে রাখে মাটির কোল সাঁঝের আকাশে জোনাকি পোকা নিস্তব্ধে করে শোরগোল, নগরায়নের ঔষধ খেতে চায়না আর এই কোমল শরীর কারখানার তিমিরাচ্ছন্ন ধোঁয়া বিদীর্ণ করেছে হৃৎকোমল । কাঠবেড়ালি যেখানে সপেদা গাছে চোখ ঘুরিয়ে দেখায় ভয় সারস যেখানে দীঘির মাঝে মাছ ধরার অপেক্ষায় রয় , নগরায়নের ধূসর ধোঁয়ায় যে বিবর্ণ হয়েছে হৃদয় খানি আজ সবুজের এই প্রলেপ লাগিয়ে করবো তার প্রাণময় । পিপীলিকার শুকনো বাসায় চড়ুই পাখি ডাক দিয়ে যায় মহুল ফুলের মাদক গন্ধ পূবালী হাওয়ায় নাক দিয়ে যায় আকাঙ্খা যেখানে গগনস্পর্শী অবকাশ নেই বাক্সে ভরা রোজ সাঁঝেতে ফ্যাকাশে চাঁদ বাঁশের কঞ্চির ফাঁক দিয়ে যায়। নিস্তব্ধতার মধুর কন্ঠে যেখানে উদাসীনতা হারায় গান গোধূলি আকাশে উড়তে থাকে লাল চন্দনের মিষ্টি ঘ্রাণ, নগর থেকে বহুদূরে সাধ করে মন ...