সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চন্দ্রশেখর ভট্টাচার্য

আনন্দ ভৈরবী

সুতোর রঙীন টানাপোড়েনে চৌকো এক রুমাল 
রুমালে কি কেবলই চোখের জল থাকে?
দুখের অশ্রুকণার নির্ভরযোগ্য ঠিকানা? অথবা
ক্লান্ত চোখের মায়াঅঞ্জনের দাগ, যার
প্রতিটি কণায় থাকে প্রেমের স্বপ্নজাল
এক একটি মহাকাব্যের পাণ্ডুলিপি?


না কি, রুমাল আসলে অডিকোলনের
অহংকারী বর্ণমালা, অলস পরশে
মূহুর্তে শীতল করে ঘর্মাক্ত কপোল!
না কি, কোনও সমুদ্রের ঢেউভাঙা নির্জনতায়
নির্মল সূর্যালোক বা এক টুকরো স্নিগ্ধ মেঘ!

হাত ফসকে কোলের উপর উল্কাপাত।
সেই রুমালটা সলাজে তুলে নিতে নিতে
কোমল বাঁশির স্বরে বলেছিলে ~ ‘সরি
সরি? কেন? এক লহমার সেই পতনেই

বেহালায় বাজে নি কি আনন্দভৈরবী!


মন্তব্যসমূহ

বাংলা সাহিত্য : জনপ্রিয় কবিতাগুলো পড়ুন

বাংলা কবিতার জন্য - প্রভাত চৌধুরী

বাংলা কবিতার জন্য যারা চোখের জল ফেলেন, কুমিরের চোখের জলের সঙ্গে তার কোন মিল নেই, ‘ চোখর জল ’ তবু কেন যে

শুভাগত রায়

audio testing  শুনুন কবি-কন্ঠে কবিতা পাঠ : সুসং দুর্গাপুর রোদ এসে পড়ে সোনা ধানখেতে সারি সারি কত আম কাঁঠালের গাছ সোনালী রোদ মাখে নদীর জল আদুরে জল স্ফটিক স্বচ্ছ কাঁচ।

রাজীব সিংহ

audio testing কবি কণ্ঠে কবিতা পাঠ  শাবক কার জন্য সেই কবে থেকে একটু একটু ক্ষয়ে যায় দিন৷ অলক্ষ্য থেকে দেখছ তুমি, আলেক, কী ভাবে ক্ষয়ে যায় রাত৷ কেউ কী মনে রাখে! মনে রাখে অঝোর বর্ষণের সেই অন্ধরাত, শ্বাসকষ্ট, জ্বর!