সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সৈয়দ কওসর জামাল

অদিতি                                                            

আমিও পেরোতে চাই জলঘূর্ণিশ্বাপদের ক্রূরতা-করাত, তবু স্থির থাকি স্থলে
আমি জানি আমাকে বিমর্ষ করে দুরন্ত অদিতি হবে আরও স্রোতোবহ
অর্থহীন, তবু ক্রোধে মহাসিন্ধু ছুটে আসবে শান্ত বন্দরের দিকে প্রখর কৌশলে
শুনেছি নির্ঘোষতার, আগেই ভেঙেছে দাঁড়, এইবার মুখোমুখি আমার দুহাত
অনর্গল বাক্যবাণ শুনি তবু মস্তিষ্ক সচল রাখি, বুঝেছি তোমার এই ইঙ্গিত দুঃসহ
জোয়ার সম্বল করে তোমাকে এগিয়ে দিই জলসত্র, অশান্ত চোখের দৃষ্টি, রাত

সন্ধি চাই তোমার অতলে!

মন্তব্যসমূহ

বাংলা সাহিত্য : জনপ্রিয় কবিতাগুলো পড়ুন

শুভাগত রায়

audio testing  শুনুন কবি-কন্ঠে কবিতা পাঠ : সুসং দুর্গাপুর রোদ এসে পড়ে সোনা ধানখেতে সারি সারি কত আম কাঁঠালের গাছ সোনালী রোদ মাখে নদীর জল আদুরে জল স্ফটিক স্বচ্ছ কাঁচ।

বাংলা কবিতার জন্য - প্রভাত চৌধুরী

বাংলা কবিতার জন্য যারা চোখের জল ফেলেন, কুমিরের চোখের জলের সঙ্গে তার কোন মিল নেই, ‘ চোখর জল ’ তবু কেন যে

প্রভাত চৌধুরীর দুটি কবিতা

১. বালিশ বালিশ দু-রকমের, একটা মাথার, অন্যটি কোলের কোলেরটিকে কেউ কেউ পাশের বলে থাকে তবে দু-ধরণের বালিশ-ই কিন্তু শিমুলতুলো নির্মিত মাথার বালিশের চারটি কোণ আছে কোণ চারটি ৯০ডিগ্রি অর্থাৎ একসমকোণ এর থেকে একটি কথা-ই প্রমাণিত হয় : প্রতিটি সমকোণ-ই ব্যবহার করে একই স্টাইলের টুপি স্টাইল এক হলেও কিন্তু রং আলাদা আলাদা সেসব রং-কথা এখন থাক এখন অপেক্ষা করি ছাতার জন্য বালিশও অপেক্ষা করুক ছাতার জন্য সামনে বর্ষাকাল আরও কবিতা পড়তে ক্লিক করুন এখানে ২. চাদর বিছানার জন্য বেড-শিট এবং বেড-কভার দু-প্রকার চাদরের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে এদের মধ্যে বেড-কভার কিছুটা মোটা এবং বড়ও আর নরম, কিছুটা মাখনের মতো বেড-শিট এর জন্য় দু-জনের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই দুজনেরই নিজ্স্ব আইডি আছে আই প্যাড আছে আছে ময়ুরপালক