সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অসীম ভুঁইয়া


অনুভবে

প্রতিটি অনুভবে একটি মৃত্যু লুকিয়ে থাকে ।
পুরোনো স্মৃতির ছাইচাপা গভীরতায়
সে যেন নির্জনতার প্রান্তিক কণা ।

ঈশ্বর–জাত সূক্ষ্মাতিরেখা ,উৎস থেকে প্রবাহিত ।
বিচিত্র সফরের নান্দনিকতা লুপ্ত চিহ্নের মতো
অদৃশ্য হয়ে যায় । ঝুলন্ত নক্ষত্রের আলোয় অতি অস্পষ্ট অন্ধকার
চুইয়ে চুইয়ে নেমে আসে ।
ঐ অন্ধকারেই সৃষ্টিতত্ত্ব ...

ঘুম ভেঙে যায় , জাগ্রত চেতনায় উঠে আসে জ্যোতি –
শনির বলয়ের মতো এক অগ্নি-জ্যোতি ।

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বাংলা সাহিত্য : জনপ্রিয় কবিতাগুলো পড়ুন

শুভাগত রায়

audio testing  শুনুন কবি-কন্ঠে কবিতা পাঠ : সুসং দুর্গাপুর রোদ এসে পড়ে সোনা ধানখেতে সারি সারি কত আম কাঁঠালের গাছ সোনালী রোদ মাখে নদীর জল আদুরে জল স্ফটিক স্বচ্ছ কাঁচ।

বাংলা কবিতার জন্য - প্রভাত চৌধুরী

বাংলা কবিতার জন্য যারা চোখের জল ফেলেন, কুমিরের চোখের জলের সঙ্গে তার কোন মিল নেই, ‘ চোখর জল ’ তবু কেন যে

প্রভাত চৌধুরীর দুটি কবিতা

১. বালিশ বালিশ দু-রকমের, একটা মাথার, অন্যটি কোলের কোলেরটিকে কেউ কেউ পাশের বলে থাকে তবে দু-ধরণের বালিশ-ই কিন্তু শিমুলতুলো নির্মিত মাথার বালিশের চারটি কোণ আছে কোণ চারটি ৯০ডিগ্রি অর্থাৎ একসমকোণ এর থেকে একটি কথা-ই প্রমাণিত হয় : প্রতিটি সমকোণ-ই ব্যবহার করে একই স্টাইলের টুপি স্টাইল এক হলেও কিন্তু রং আলাদা আলাদা সেসব রং-কথা এখন থাক এখন অপেক্ষা করি ছাতার জন্য বালিশও অপেক্ষা করুক ছাতার জন্য সামনে বর্ষাকাল আরও কবিতা পড়তে ক্লিক করুন এখানে ২. চাদর বিছানার জন্য বেড-শিট এবং বেড-কভার দু-প্রকার চাদরের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে এদের মধ্যে বেড-কভার কিছুটা মোটা এবং বড়ও আর নরম, কিছুটা মাখনের মতো বেড-শিট এর জন্য় দু-জনের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই দুজনেরই নিজ্স্ব আইডি আছে আই প্যাড আছে আছে ময়ুরপালক