সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

জেবুননেসা হেলেন

চোখ যখন নোনা দিঘি

জেবুননেসা হেলেন

 

চোখ যখন নোনা দিঘি

সংশোধিত ভালোবাসায়
ঘুণের প্রাদুর্ভাব।

জনবহুল লোকালয় থেকে
কুড়িয়ে পাওয়া
এক বিন্দু মানুষও
কখনও কখনও
শূন্যে মিলায়।

ঠোঁটের ফাঁক গলে অবোধ ভাষা
বুঝতে ভুল হয়ে যায়
কোনো কোনো মুখরোচক
প্রতিধ্বনির জোগানেও।

তোবড়ানো কৃষ্ণনগরে স্বপ্নেরা
অন্ধ হয়ে ঠেলাঠেলি করে।

শত শত শব্দ ভিড় করে
কোলাহলের জন্মদিন উৎসব করে।

আমি সবিনয়ে বোঝার ব্যর্থ চেষ্টায়
চোখ বুজে বোকা বনে যাই।

"মাথায়" আর "মাথা" শব্দ
দুটির ঠোকাঠুকিতে জ্বলে যায়
চোখের পরস্পর পাঁপড়ি,
জল গড়াতে থাকে সময়ের খামে।

-------///-------

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বাংলা সাহিত্য : জনপ্রিয় কবিতাগুলো পড়ুন

শুভাগত রায়

audio testing  শুনুন কবি-কন্ঠে কবিতা পাঠ : সুসং দুর্গাপুর রোদ এসে পড়ে সোনা ধানখেতে সারি সারি কত আম কাঁঠালের গাছ সোনালী রোদ মাখে নদীর জল আদুরে জল স্ফটিক স্বচ্ছ কাঁচ।

বাংলা কবিতার জন্য - প্রভাত চৌধুরী

বাংলা কবিতার জন্য যারা চোখের জল ফেলেন, কুমিরের চোখের জলের সঙ্গে তার কোন মিল নেই, ‘ চোখর জল ’ তবু কেন যে

শুভজিৎ দাসের কবিতা : নগরায়ণ

নগরায়ণ শুভজিৎ দাস শুভজিৎ দাসের কবিতা : নগরায়ণ বেদনা তৃপ্ত ধূসর কলিজায় রাঙামাটির অল্প ছোঁয়া নবীন প্রেমিক, অবুঝ মন চায়না আমি এই স্নিগ্ধ মায়া , আমি হারাতে চাই সুদূর এক গাঁয়ে যেখানে থাকবে শুধু চন্দনের ঘ্রাণ,কদমের পাপড়ি বুনো ছাতিমের শীতল ছায়া।। যেখানে অম্রমুকুল ,বকুল-কুসুম ভরিয়ে রাখে মাটির কোল সাঁঝের আকাশে জোনাকি পোকা নিস্তব্ধে করে শোরগোল, নগরায়নের ঔষধ খেতে চায়না আর এই কোমল শরীর কারখানার তিমিরাচ্ছন্ন ধোঁয়া বিদীর্ণ করেছে হৃৎকোমল । কাঠবেড়ালি যেখানে সপেদা গাছে চোখ ঘুরিয়ে দেখায় ভয় সারস যেখানে দীঘির মাঝে মাছ ধরার অপেক্ষায় রয় , নগরায়নের ধূসর ধোঁয়ায় যে বিবর্ণ হয়েছে হৃদয় খানি আজ সবুজের এই প্রলেপ লাগিয়ে করবো তার প্রাণময় । পিপীলিকার শুকনো বাসায় চড়ুই পাখি ডাক দিয়ে যায় মহুল ফুলের মাদক গন্ধ পূবালী হাওয়ায় নাক দিয়ে যায় আকাঙ্খা যেখানে গগনস্পর্শী অবকাশ নেই বাক্সে ভরা রোজ সাঁঝেতে ফ্যাকাশে চাঁদ বাঁশের কঞ্চির ফাঁক দিয়ে যায়। নিস্তব্ধতার মধুর কন্ঠে যেখানে উদাসীনতা হারায় গান গোধূলি আকাশে উড়তে থাকে লাল চন্দনের মিষ্টি ঘ্রাণ, নগর থেকে বহুদূরে সাধ করে মন ...