সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চন্দনকৃষ্ণ পাল

নাক গলানো বিষয়ক কথামালা

আমার বিষন্ন দিন আমারই থাক
তোমার গলানো নাক আমাকে বিপর্যস্ত করে-
একথা জেনেও তুমি আগবাড়িয়ে আসো
হাসো, আমাকে বিব্রত করো
শেষ বিকেলে দাঁড়িয়েও
পাল্টালেনা নিজ অবয়ব।

শৈশব কৈশোরে তুমি তো মানুষই ছিলো
একদম জ্যান্ত মানুষ।
কি যাদু তোমাকে পাল্টালো কি মোহে
উড়নচন্ডি হলে? ধারালো নাক নিয়ে চলাফেরা করো
সুযোগ পেলেই গলাও যেখানে সেখানে
একে তাকে বিব্রত করো!

যন্ত্রের চাহিদাপত্র গেছে, চুক্তির খুব বাকী নেই
এবার দেখবো কার নাক আজ কত ধার ধরে।

মন্তব্যসমূহ

বাংলা সাহিত্য : জনপ্রিয় কবিতাগুলো পড়ুন

শুভাগত রায়

audio testing  শুনুন কবি-কন্ঠে কবিতা পাঠ : সুসং দুর্গাপুর রোদ এসে পড়ে সোনা ধানখেতে সারি সারি কত আম কাঁঠালের গাছ সোনালী রোদ মাখে নদীর জল আদুরে জল স্ফটিক স্বচ্ছ কাঁচ।

বাংলা কবিতার জন্য - প্রভাত চৌধুরী

বাংলা কবিতার জন্য যারা চোখের জল ফেলেন, কুমিরের চোখের জলের সঙ্গে তার কোন মিল নেই, ‘ চোখর জল ’ তবু কেন যে

প্রভাত চৌধুরীর দুটি কবিতা

১. বালিশ বালিশ দু-রকমের, একটা মাথার, অন্যটি কোলের কোলেরটিকে কেউ কেউ পাশের বলে থাকে তবে দু-ধরণের বালিশ-ই কিন্তু শিমুলতুলো নির্মিত মাথার বালিশের চারটি কোণ আছে কোণ চারটি ৯০ডিগ্রি অর্থাৎ একসমকোণ এর থেকে একটি কথা-ই প্রমাণিত হয় : প্রতিটি সমকোণ-ই ব্যবহার করে একই স্টাইলের টুপি স্টাইল এক হলেও কিন্তু রং আলাদা আলাদা সেসব রং-কথা এখন থাক এখন অপেক্ষা করি ছাতার জন্য বালিশও অপেক্ষা করুক ছাতার জন্য সামনে বর্ষাকাল আরও কবিতা পড়তে ক্লিক করুন এখানে ২. চাদর বিছানার জন্য বেড-শিট এবং বেড-কভার দু-প্রকার চাদরের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে এদের মধ্যে বেড-কভার কিছুটা মোটা এবং বড়ও আর নরম, কিছুটা মাখনের মতো বেড-শিট এর জন্য় দু-জনের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই দুজনেরই নিজ্স্ব আইডি আছে আই প্যাড আছে আছে ময়ুরপালক