সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অদ্রিজা দাসের কবিতা :

অদ্রিজা দাসের কবিতা :

ছায়ানীর

অদ্রিজা দাসের কবিতা : ছায়ানীর
অদ্রিজা দাসের কবিতা
নীলাম্বরীর এক নিস্তব্ধ হলুদে
নক্ষত্ররা ডাকে আয় হেসে
রাখবে তারা প্রণয় দেশে
তবু যায় না অবুঝ হৃদে।

যা বলা হয় সত্য নয়
মিথ্যার ছায়ায় ঢাকা
এক রাশি আলোকে তাদের
আঁধার নিস্তব্ধে রাখা।

বনলতার বিনিতা অবুঝে কাঁদে পরে
যেকাল পুষ্প তাহা হতে শোকে খসে পড়ে।

ঘাসফুল চারু হারি' আকাশে চেয়ে রয়
দূর হতে মেঘেরাও তারে বুঝি কয়-

"শূন্য ছিলে হঠাৎ কালে ভাবলে অলীক কত
পরে এমন আকাশ হলে শুধু শূন্য মতো।
মনে হয় ধরবে ফুল একটু উপরে যেয়ে
নাই তারা তো কেউই নাই শুধুই আছো চেয়ে।
মনে হয় একটু হলেই ধরে নিবে তারে
যতও যাও ততই দেখো সে যায় দূরে সরে।"

এই যে এক ছায়ানীর,
ছায়ায় মোরা ভাসি।
মনের খেয়ালে অলীকেতে
রাখি মিথ্যা আশি।
আলোয় আলোয় ভরছে ভুবন
এইযে নিশি রাতে
উদাস কবি নদী তটে
সুগন্ধা তার হাতে।
-------xx------

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বাংলা সাহিত্য : জনপ্রিয় কবিতাগুলো পড়ুন

শুভাগত রায়

audio testing  শুনুন কবি-কন্ঠে কবিতা পাঠ : সুসং দুর্গাপুর রোদ এসে পড়ে সোনা ধানখেতে সারি সারি কত আম কাঁঠালের গাছ সোনালী রোদ মাখে নদীর জল আদুরে জল স্ফটিক স্বচ্ছ কাঁচ।

বাংলা কবিতার জন্য - প্রভাত চৌধুরী

বাংলা কবিতার জন্য যারা চোখের জল ফেলেন, কুমিরের চোখের জলের সঙ্গে তার কোন মিল নেই, ‘ চোখর জল ’ তবু কেন যে

প্রভাত চৌধুরীর দুটি কবিতা

১. বালিশ বালিশ দু-রকমের, একটা মাথার, অন্যটি কোলের কোলেরটিকে কেউ কেউ পাশের বলে থাকে তবে দু-ধরণের বালিশ-ই কিন্তু শিমুলতুলো নির্মিত মাথার বালিশের চারটি কোণ আছে কোণ চারটি ৯০ডিগ্রি অর্থাৎ একসমকোণ এর থেকে একটি কথা-ই প্রমাণিত হয় : প্রতিটি সমকোণ-ই ব্যবহার করে একই স্টাইলের টুপি স্টাইল এক হলেও কিন্তু রং আলাদা আলাদা সেসব রং-কথা এখন থাক এখন অপেক্ষা করি ছাতার জন্য বালিশও অপেক্ষা করুক ছাতার জন্য সামনে বর্ষাকাল আরও কবিতা পড়তে ক্লিক করুন এখানে ২. চাদর বিছানার জন্য বেড-শিট এবং বেড-কভার দু-প্রকার চাদরের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে এদের মধ্যে বেড-কভার কিছুটা মোটা এবং বড়ও আর নরম, কিছুটা মাখনের মতো বেড-শিট এর জন্য় দু-জনের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই দুজনেরই নিজ্স্ব আইডি আছে আই প্যাড আছে আছে ময়ুরপালক