সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মোহাম্মদ আজাদ হোসেনের কবিতা :

মোহাম্মদ আজাদ হোসেন দ্বি'ম ভালোবাসা মোহাম্মদ আজাদ হোসেন মায়ার আলোয় জাগে নবীন প্রভাত, শিশির কণায় মাখে স্নেহের প্রাণিপাত। মায়ের বুকে স্বপ্ন গাঁথে সোনার রথ, ভালোবাসা আঁকে জীবনের রঙিন পথ। বাতাসে গুঞ্জরিত আশার মধুর গান, মমতার পরশে মুছে যায় সব বেদনা প্রাণ। নদীর ধারা বয়ে চলে নিরবধি, স্নেহ-ছায়ায় আশ্রয় ক্লান্ত নিরবতি। আধাঁর রাতে জ্বলে জোনাকির আলো, আপনজনের হাসি মুছে দেয় দুঃখের কালো। বনভূমি জুড়ে ছড়ায় স্নেহের সুবাস, হৃদয়ের মিলনে গড়ে ওঠে সুখের বাস। মায়া, মমতা, ভালোবাসা - তিনে মিলে, আঁকে স্বপ্ন, হাসায় সবাইকে জীবনখিলে। -------xx-------

শুভজিৎ দাসের কবিতা : নগরায়ণ

নগরায়ণ শুভজিৎ দাস শুভজিৎ দাসের কবিতা : নগরায়ণ বেদনা তৃপ্ত ধূসর কলিজায় রাঙামাটির অল্প ছোঁয়া নবীন প্রেমিক, অবুঝ মন চায়না আমি এই স্নিগ্ধ মায়া , আমি হারাতে চাই সুদূর এক গাঁয়ে যেখানে থাকবে শুধু চন্দনের ঘ্রাণ,কদমের পাপড়ি বুনো ছাতিমের শীতল ছায়া।। যেখানে অম্রমুকুল ,বকুল-কুসুম ভরিয়ে রাখে মাটির কোল সাঁঝের আকাশে জোনাকি পোকা নিস্তব্ধে করে শোরগোল, নগরায়নের ঔষধ খেতে চায়না আর এই কোমল শরীর কারখানার তিমিরাচ্ছন্ন ধোঁয়া বিদীর্ণ করেছে হৃৎকোমল । কাঠবেড়ালি যেখানে সপেদা গাছে চোখ ঘুরিয়ে দেখায় ভয় সারস যেখানে দীঘির মাঝে মাছ ধরার অপেক্ষায় রয় , নগরায়নের ধূসর ধোঁয়ায় যে বিবর্ণ হয়েছে হৃদয় খানি আজ সবুজের এই প্রলেপ লাগিয়ে করবো তার প্রাণময় । পিপীলিকার শুকনো বাসায় চড়ুই পাখি ডাক দিয়ে যায় মহুল ফুলের মাদক গন্ধ পূবালী হাওয়ায় নাক দিয়ে যায় আকাঙ্খা যেখানে গগনস্পর্শী অবকাশ নেই বাক্সে ভরা রোজ সাঁঝেতে ফ্যাকাশে চাঁদ বাঁশের কঞ্চির ফাঁক দিয়ে যায়। নিস্তব্ধতার মধুর কন্ঠে যেখানে উদাসীনতা হারায় গান গোধূলি আকাশে উড়তে থাকে লাল চন্দনের মিষ্টি ঘ্রাণ, নগর থেকে বহুদূরে সাধ করে মন ...

সাবরিনা তাহ্সিনের কবিতা :

সাবরিনা তাহ্সিনের কবিতা : বিষে ভরা বাষ্প সাবরিনা তাহ্সিন - বিষে ভরা বাষ্প বাতাসের নিজস্ব কোনো রঙ নেই যদি থাকতো ,তবে হয়তো দৃষ্টিতে ধরা দিতো নর্দমায় জটপাকানো বায়ুর মিশেল। মুক্ত-নিঃশাসে ভরা নির্মল হাওয়ার সাক্ষাৎপ্রাপ্তি হওয়াটা যেন বড়ই কঠিন! নরম -কোমল মৃত্তিকাকে যখন চতুষ্কোণ ছাঁচে ইটভাটায় গলানো হয় , তখন নির্গত কালো ধূম্রজাল বাতাসের অস্তিত্বের সাথে মিশে যায়। ধূলি কণা কিংবা তার থেকেও ক্ষুদ্র জীবাণু ঘূর্ণী হাওয়ার পাক খেতে থাকে। শকট যান থেকে নিঃসরিত কার্বন কুন্ডলী যেন নিমেষেই মিলিয়ে যায় বাতাবরনের আবেশে। সিগারেট থেকে নিকোটিনের কালো ধোঁয়ার মতো বিষাক্ত ছোবল বায়ুপূর্ণ চারদিকের পরিমন্ডলকে করে তোলে দুর্বিষহ । বাতাসের প্রকৃতিতে একেক রকমফের কখনো বাতাসে থাকে উষ্ণতার নিবিড় পরশ, কখনও বা ছুটে চলা ট্রেনের গতিবেগে শো শো ধ্বন্যাত্মক ছন্দে , ধরা দেয় সমীরণের পূর্ণ অবয়ব । -------xx------

কাজল সেনের কবিতা

রাতের শেষ ট্রেন কাজল সেন ঠান্ডাঘরে বসে টানা কমপিউটারে কাজ করে যারা নির্ঘাত তাদের ঘাড়ব্যথা হাতব্যথা স্পন্ডেলাইটিস অথচ আমাদের ক্লাবের তুখোড় সেন্টার ফরোয়ার্ড গান্ধী মন্ডল সারাটা মাঠ জুড়ে ড্রিবলিং ট্যাকেলিং পাসিং খেলে আজ অষ্টিও আর্থারাইটিসে পুরোপুরি শয্যাশায়ী ইদানীং আর কোনো উৎপাতেই জাগে না মন ঘোড়ার দানাপানি থেকে টয়েটো গাড়ির পেট্রল উন্মুক্ত ডাইনিং টেবিলে রাখা পিৎজা বা বার্গার রাতে স্বল্পাহারের পর স্বল্প মদ্যপান দোয়াতের কালি আজকাল আর কেউ ব্যবহার করে না ডটপেনে চিঠি লেখাও বন্ধ হয়ে গেছে বহুদিন সেই যে কবে কতদিন আগে গোলপোস্টে শেষবারের মতো দাঁড়িয়েছিলেন দীর্ঘদেহী পিটার থঙ্গরাজ আর রঞ্জিক্রিকেটে শূন্য রানে ক্যাচ তুলে শেষবারের মতো কীনান স্টেডিয়ামের প্যাভেলিয়নে ফিরেছিলেন পঙ্কজ রায় আর তো হবে না এ জীবনে নতুন পয়সার লেনদেন শুধু প্রতীক্ষায় আছি কবে টাটানগর ছেড়ে রওয়ানা হবে রাতের শেষ ট্রেন

বিভীষণ মিত্রের কবিতা

বিভীষণ মিত্রের কবিতা পুনর্জন্ম বিভীষণ মিত্র আর একবার যদি জন্মাতে পারি, নতুন করে ভালবাসবো তোমাকে। বিভক্ত পথ ছেড়ে আবার চলব একই পথে, যদি তুমি ফিরে আসো ভুল গুলো ভুলে, আকাশের ওপার থেকে মেঘ ছুঁয়ে বৃষ্টি নামাব। জোনাকির ক্ষুদ্র আলো থেকে চাঁদের বৃহৎ জ্যোৎস্না নামাব। নবজাতকের মত পাপশূন্য হয়ে - তোমার মুক্ত হাতে-হাত রাখব। আর একবার যদি জন্মাতে পারি, তোমায় ভালবেসে বাঁচার মত বাঁচব। মোহনা হয়ে নদী,নদী হয়ে সাগর নামাব। সাগরের সুনীল জলরাশি হয়ে তোমার নগ্ন পা ছোঁব। সেই সিক্ত পায়ের শিহরণে- তোমার শিরা-উপশিরায় জানাবো আমার ভালবাসার কথা। যদি ভালবাসি এ কথা বল আমাকে ভুল করে, পরজনমে কৃতদাস হব তোমার ভালবাসার ছায়া তলে।

তৈমুর খানের কবিতা

তৈমুর খানের কবিতা চিহ্ন একটা খেজুর গাছ দাঁড়িয়ে আছে বিকেল এসে বসেছে মাথায় সেদিকেই চেয়ে আছি আমি ক্রুশবিদ্ধ যিশু অদৃশ্য ছায়ার ক্রুশকাঠে বধ্যভূমিতে আটকে আছি নন্দিনীদের কাজললতা চোখে একফোঁটা অশ্রু নেই করুণার বাক্স ফাঁকা সহানুভূতির বাক্যে কোনও বই লেখা হয়নি আজও বিকেল নেমেছে রাত্রির নরম মাংসের ভেতর ঢুকে যাচ্ছে রোদের শৃগাল আমার রক্ত গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ছে মাটিতে আর এক একটা চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে সভ্যতার যুদ্ধ জয় করতে পারি নাকো ঘর-উঠোনে মা-বাবার দীর্ঘশ্বাস চলাফেরা করে আমাকে দেখে যায় যুদ্ধ করতে পারি নাকো আর তবু যুদ্ধক্ষেত্রেই থাকি আমার হাতে এখনও চকচক করে বাবার তলোয়ার তলোয়ার আসলে এক সহিষ্ণু বিস্ময় সংকটের কাছে নিজেকে উৎসর্গ করা অথবা আকাশের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যত ইচ্ছা নিজেকে প্রসারিত করা দুয়ারে ঝাঁটা হাতে মায়ের সকাল নিহত বসন্তকালে নিশ্চুপ কোকিল এখনও অমৃতের সন্ধান করে আমি ঝড় , দুর্বার সংযোগে বেরিয়ে পড়ি প্রতিটি সকালে ফিরে...

নাসের হোসেন

পুরো কবিতা পড়তে কবির নাম -এর ওপর ক্লিক করুন ।। হোম পেজ-এ যেত এখানে ক্লিক করুন audio testing কবি কন্ঠে কবিতা পাঠ। ২টি কবিতা বছর দশেক কত যে ফুল ভেসে বেড়াচ্ছে সমস্ত জায়গাটা জুড়ে,আহা ওই জলে যদি অবগাহন করা যেত কিন্তু তা তো সম্ভব নয়, কেননা এটা একটা ছবি যা সহস্রকাল ধরে মানুষের মনের মধ্যে গেঁথে আছে